ক্ষমতা নেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানো তো হয়নি, বরং ট্রাম্প এখন এমন এক যুদ্ধক্ষেত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যেখানে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা। আর এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িয়ে গেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার মাত্র দুই ঘণ্টা পর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযান ছিল "অসাধারণ সফল"।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার এই পদক্ষেপ ইরানের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের পথ রোধ করবে এবং স্থায়ী শান্তির দিকে পথ খুলে দেবে।
ইরান জানিয়েছে, ফোর্ডো পারমাণবিক স্থাপনার সামান্য ক্ষতি হয়েছে। তবে কোন পক্ষ ঠিক বলছে, তা সময়ই বলবে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প জানান, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়ে না, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় হামলার মুখে পড়বে।
তিনি বলেন, "এখনও অনেক টার্গেট বাকি", আর যুক্তরাষ্ট্র "গতি, নির্ভুলতা আর দক্ষতার" সঙ্গে এগোবে।
তবে প্রেসিডেন্টের এমন অবস্থান ইরানে মার্কিন জড়িততা আরও গভীর করে তুলছে, যা যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, আমেরিকার এমন পদক্ষেপ অঞ্চলটিতে "বিশৃঙ্খলা" সৃষ্টি করতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্য এমনিতেই এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হামলার জবাবে প্রতিশোধ নেওয়া হবে। আর তা হলে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যেতে বাধ্য হতে পারে। ---> (বিবিসি)